৫ দিনেও মেলেনি চিকিৎসক হত্যাকান্ডের রহস্য।

শেবাচিম হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. এমএ আজাদ সজল

শেবাচিম হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. এমএ আজাদ সজল ২৭ এপ্রিল মারা যান। তবে তার মৃত্যু অনেকটা রহস্যজনক। আদৌ তার মৃত্যু কি নিছক কোন দুর্ঘটনা, নাকি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড, তা নিশ্চিত হতে বরিশালের আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর কাছে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

কোতয়ালী মডেল থানার ওসি (তদন্ত) এমআর মুকুল জানান, খুব শীঘ্রই ঘটনার মুল রহস্য উম্মোচিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ঘটনার তদন্ত করা নির্ভরযোগ্য একটি বাহিনীর সূত্রমতে, গত ২৭ এপ্রিল বিকেলে মমতা স্পেশালাইজড হাসপাতালের নিচে নেমে বাজার করে উপরে ওঠার পর থেকে কি আজাদের মৃত্যু হয়েছে নাকি গভীর রাতে তার তদন্ত করা হচ্ছে।

এদিকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছেন, লিফটে উঠতে গিয়েই অসতর্কবসত ডা. আজাদ নিচে পরে মারা যান।
প্রশ্ন উঠেছে, যদি তাই ঘটে তবে চিকিৎসকের হাতে থাকা সেই টুথপেষ্ট ও পেঁয়াজের থলে লিফটের ভিতর স্বাভাবিকভাবে পাওয়া গেল কিভাবে? এতে প্রমাণ করে ডা. আজাদ তার থাকার কক্ষ পর্যন্ত পৌঁছতে পারেননি। তালাবদ্ধ কক্ষ খুলেও পুলিশ সবকিছুই স্বাভাবিক দেখতে পেয়েছেন।

একাধিক সংস্থা এই রহস্য উম্মোচনে মাঠে কাজ করলেও ঘটনার পাঁচদিন পরেও কোন ক্লু উদ্ঘাটন করতে পারেননি। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ডা. আজাদের হত্যাকাণ্ড নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তোড়জোর চোখে পরার মতো। শুধু থানা পুলিশ নয়, গোয়েন্দা টিম ও পিবিআইসহ র‌্যাবের গোয়েন্দা শাখাও বিষয়টির ওপর গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।

লাশের সুরাতহালের সময় উপস্থিত ডা. আজাদ ছোট ভাই ডা. শাহরিয়ার উচ্ছ্বাস সাংবাদিকদের জানান, নিহতের ডান পায়ের হাঁটুর নিচ থেকে হাড় ভেঙে বেড়িয়ে গেছে। বাম পায়ের তালুর নিচে মাংস নেই। বুকের হাড় ভাঙ্গা দেখা গেছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ডা. আজাদের হত্যাকাণ্ড নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তোড়জোর চোখে পরার মতো। শুধু থানা পুলিশ নয়, গোয়েন্দা টিম ও পিবিআইসহ র‌্যাবের গোয়েন্দা শাখাও বিষয়টির ওপর গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।

পুলিশের নির্ভরযোগ্য একটি সূত্রে জানা গেছে, বিষয়টি দুর্ঘটনা বলা হলেও আসলে তা নয়, তার প্রমাণ বহন করে লাশের দেহের বিভিন্নঅংশে জখমের ধরন দেখে। তবে ময়নাতদন্তের রির্পোট না আসায় এখনও নিশ্চিত করে কিছুই বলা যাচ্ছেনা।

রিপ্লে

মন্তব্য লিখুন!
নাম